কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ এ ০২:০০ PM
কন্টেন্ট: পাতা
সাদুল্লাপুর উপজেলার পূর্বে গাইবান্ধা সদর, দক্ষিণে পলাশবাড়ী এবং পশ্চিমে পীরগঞ্জ বেষ্ঠিত ১৯১৩ সালে সাদুল্লাপুর উপজেলা গঠিত হয়। ১১টি ইউনিয়ন ও ১৬৬টি মৌজা নিয়ে গঠিত উপজেলার আয়তন ২৩০.১২ বর্গ কিলোমিটার । গাইবান্ধা শহর হতে ১১ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত । এই উপজেলা উত্তরে সুন্দরগঞ্জ ও মিঠাপুকুর রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা দ্বারা বেষ্টিত । এ উপজেলাটি প্রায় ২৫ ডিগ্রী ১৭ ফুট ও ২৫ ডিগ্রী ৩১ ফুট উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯ ডিগ্রী ২০ ফুট ও ৮৯ ডিগ্রী ৩২ ফুট পুর্ব দ্রাঘিমাংশর মধ্যে অবস্থিত । ঘাঘট নদী উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবহমান।
কথিত আছে বহুপুর্বে এই এলাকা জঙ্গলে পরিপূর্ণ ছিল । হিন্দু রাজা ও জমিদারদের একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল। এক সময় সাইদুল্লাহ নামে এক ধর্মীয় সাধক এই এলাকায় এসে ধর্ম প্রচারের কাজ শুরু করেন । তার নামানুসারে উপজেলার নাম রাখা হয় সাদুল্লাপুর । সাদুল্লাপুরের ৮৫% মুসলমান ও অবশিষ্ট হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী। জনসংখ্যার ঘনত্ব ১৩৬২জন প্রতি বর্গ কিলোমিটার ,এলাকার ৮০% লোক কৃষির উপর নির্ভরশীল । মানুষরা বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত । বহুপূর্ব হতে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবহনকারী এ উপজেলা সবারই দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসছে। শিক্ষার দিক দিয়ে ও সাদুল্লাপুর উপজেলা পিছিয়েনেই । শিক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় লোকদের উৎসাহে ও পৃষ্ঠপোষকতায় বেশ কতকগুলি চিত্ত বিনোদনমূলক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে । উপজেলার শিক্ষার উৎকর্ষ বিধানে প্রায় ১১ টি মহাবিদ্যালয়, ৬১ টি হাইস্কুল, ১৯৯ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফাজিল মাদ্রাসা ০১টি ৩৩টি দাখিল মাদ্রাসা এবং ৬৬ টি এবতেদায়ী মাদ্রাসা আছে । শিক্ষার হার ৪৬% । উপজেলার মধ্যে প্রায় ৬ কি.মি. রেলপথ রয়েছে । নলডাঙ্গা রেল স্টেশন প্রাচীন ঐতিহ্যের জন্য উত্তরবঙ্গে সুপরিচিত।মসজিদ ৪৩৭টি,মন্দির ৩২টি,হাসপাতাল ০১টি, উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ০৩টি,আশ্রায়ন০২টি(১৫০টি পরিবার),গুচ্ছগ্রাম ১১টি (৪২৯পরিবার),জলমহল ১৪টি,প্রতিবন্ধী প্রতিষ্ঠান ১৭টিি,এতিমখানা ০৬টি, ডাকবাংলা ০১ টি, হাটবাজার ১৯ টি, তফশীলি ব্যাংক ১০ টি, হিমাগার ০৩ টি, ভূমি অফিস ০৯টি।
সাদুল্লাপুর উপজেলার মোট জন সংখ্যা-৩১৩৬২৮ জন , পুরুষ-১৫১৮৪২ জন, মহিলা-১৬১৭৭৪ জন , হিজরা-১২ জন। মুসলমান-২৮৭২৯৮ জন, হিন্দু-২৬২৪০ জন, খ্রিষ্টান-৬ জন, বৌদ্দ-৮ জন , অন্যান্য-৭৬ জন। জনসংখ্যার ঘনত্ব ১৩৬২ জন প্রতি বর্গ কিলোমিটার। মোট সাক্ষরতার হার (৭বছরের উপরে) -৬৬.৮৭%, পুরুষ-৭০.১০% মহিলা-৬৩.৮৯%। মোট খানার সংখ্যা-৮৮০৩৬ টি।